الحمد لله وسلامٌ على عباده الذين اصطفى، وبعد:
মুআসসাসার নিয়মিত কাজকর্মের অংশ হিসেবে সম্প্রতি আরেকটি সফরের তাওফীক হলো। ২১ই মুহাররম-৮ই সফর (১৪৪৮), প্রায় সতেরো দিনব্যাপী এই সফরে:
ক) প্রথমে উজবেকিস্তানের তাশকন্দে ‘আইসেস্কো’ (ICESCO- منظّمة العالم الإسلاميّ للتربية والعلوم والثقافة) ও ‘মারকাযুল হাদ্বারাহ’ (তাশকন্দ) কর্তৃক আয়োজিত একটি বড় ফোরামে অংশগ্রহণের সুযোগ হয়। অনেকটা রাজকীয় ধাঁচের এই ফোরামে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্যক্তিত্ব অংশ নেন। প্রথমে আমাদের মত কোনো কোনো আমন্ত্রিত ‘বাহিস’ থেকে ফোরামের জন্য প্রেজেন্টেশন তলব করা হয়। আমি বড়দের সাথে পরামর্শ করে একটি বক্তব্য/লেখা পাঠাই, শিরোনাম- المخطوطات الفقهيّة الغائبة لأعلام بخارى وسمرقند وخِطّةُ الإحياء المنشودة। পরে ফোরাম কর্তৃপক্ষ অংশগ্রহণকারী মেহমানদের আধিক্যের কারণে ফোরামের বক্তব্যের শিডিউলে শুধু বড় আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের নাম রাখেন; কারণ বাহিসদের প্রায় সবার বিভিন্ন কনফারেন্সে প্রবন্ধ আছে। যাই হোক, অনেকটা রসমী ধাঁচের হলেও এটি একটি ঐতিহাসিক ফোরাম ছিল। এর কিছু প্রেক্ষাপট ও বিভিন্ন দিক আরবী সফরনামায় লেখার চেষ্টা করেছি। অংশগ্রহণকারী মেহমানদের জন্য পরিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও সর্বাত্মক ইকরামের আয়োজন করা হয়। আল্লাহপাক আয়োজকদের উত্তম জাযা দান করুন, এসব মেহনতকে উপকারী করুন, ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিয়ে পরিপূর্ণ কবুল করে নিন, দ্বীনের পথে অগ্রসরতার বাকি মারহালাও সহজ করে দিন।
খ) পরবর্তী গন্তব্য ছিল সমরকন্দ। একই সময়ে সমরকন্দে পাশাপাশি তিনটি ভেন্যুতে তিনটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। বিষয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ বা মূল প্রতিপাদ্য: ১. সহীহ বুখারী। ২. আবু মানসূর মাতুরীদী ও মাতুরীদী তুরাস। ৩. ইসলামী হাদ্বারাহ। আমরা মূল কনফারেন্স, অর্থাৎ সহীহ বুখারী কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করি। এর তৃতীয় সেশনের বিষয়বস্তু ছিল সহীহ বুখারীর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নাদের মাখতুতাত। এই সেশনে পূর্বপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন কয়েকজন আসাতিযার সাথে শরিক হবার সৌভাগ্য লাভ করি। আমার প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল:
نسخةٌ هنديّةٌ تاريخيّة للجامع الصحيح مقروءةٌ على الإمام وليّ الله الدهلويّ (1176): عرْضٌ استكشافيٌّ وقراءةٌ للنّصوص المُصاحِبة
এই পোস্টের কমেন্টে কনফারেন্সের প্রবন্ধ সংকলনের ডাউনলোড লিঙ্ক দিয়ে দিচ্ছি। দেখুন সংকলনটির: পৃ. ৪২৪-৪৪১।
গ) কনফারেন্সের ফাঁকে ‘মারকাযুল হাদ্বারাহ’র পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচক মেহমানবৃন্দের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। আমার থেকে মাখতুত তুরাসের গুরুত্ব ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। পরে তারা এটির রেকর্ডও পাঠান। قيمةُ مخطوطاتِنا وعالَمُها البِكْرُ শিরোনামে একটি সিলসিলায় এটি পরে প্রকাশ করারও ফিকির করা হয়। আল্লাহপাক তাওফীকদাতা।
ঘ) কনফারেন্সগুলোর মূল আয়োজক উজবেক সরকার ও ‘মারকাযুল হাদ্বারাহ’ হলেও প্রত্যেকটির ইন্তিজামে সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল। ২০১৭ থেকে উজবেকিস্তানে এ জাতীয় বেশ কয়েকটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছে। যেমন, ইমাম মাতুরীদী রহ.-এর ওপর যে কনফারেন্সটি হয়েছে সেটির আয়োজনে ছিল তাশকন্দের ‘মারকাযুল ইমামিল মাতুরীদী’। এখানকার দায়িত্বশীল কয়েকজন বন্ধুর আগ্রহের কারণে আমি তাদের জন্যও একটি প্রবন্ধ লেখা শুরু করি। নির্দিষ্ট কিছু কারণে এই শিরোনামটি গ্রহণ করি: معالم الاعتدال والعقلانيّة في فكر أهل السّنّة: كتاب التوحيد للإمام الماتريديّ نموذجًا। পরে শিডিউল জ্যামের কারণে এটি বাদ দিই। আর মূলত যে বিষয়ে ‘ইখতিসাস’ পর্যায়ের চর্চা নেই সে বিষয়ে চুপ থাকার নীতির কারণেও এতে খয়ের মনে হয়।
উজবেকিস্তান সফরের অনুভূতি, সারসংক্ষেপ
এছাড়াও আল্লাহর ফযলে অনেক আহলে ইলম ও ফিকরের মুলাকাত, তাদের সাথে চিন্তা ও ভাবনার বিনিময় এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলমানদের হালাত সম্পর্কে ধারণা লাভ করার ভালো সুযোগ হয়। এটি ছিল আমার উজবেকিস্তানের তৃতীয় সফর। তিন সফরেই ওয়ালিদ সাহেবের সঙ্গ ও সাহচর্য ছিল আলাদা একটি নেয়ামত। এবার মুহতারাম ড. আহমাদ সনুবার সহ কয়েকজন সফরসঙ্গী মেহমান ওয়ালিদ সাহেবের ইজাযতও গ্রহণ করেন।
উজবেকিস্তানের প্রথম সফরের কিছু স্মৃতিচারণ ও অনুভূতি পূর্বপ্রকাশিত একটি সফরনামা- بصائر القلب والوجدان في الخليج وأوزبكستان -এ আল্লাহর ফযলে উল্লেখ করেছি। শত শত আইম্মা, উলামা ও আ’লামের স্মৃতি বিজড়িত মুবারক জনপদ। হিজাযের পর আমাদের অন্যতম সমৃদ্ধ ইলম ও আমলের ঐতিহাসিক প্রাণকেন্দ্র। এখনো এই জনপদের পরতে পরতে রয়েছে বিস্ময়কর এক স্বাদ ও ঘ্রাণ। তবে মাঝেমাঝে মনে হতো, রাস্তার দুই পাশের গাছপালা যেন মুসাফিরদের তাদের মাযলুমিয়তের কিছু দাস্তান শোনাতে চায়। সাম্রাজ্যবাদ তাদের প্রায় সবকিছু কেড়ে নিয়েছে; মাদরাসা ও দ্বীনচর্চার কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল; তাদের ভাষারীতি, আরবী হরফ, ইসলামী লিবাস… এমনকি পূর্ণ মুসলিম সত্তার বিলোপ ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এখানে বারবার মনে পড়ে উপমহাদেশের আকাবিরের কথা, যাদের উসিলায় আল্লাহপাক উপমহাদেশে দ্বীনকে মাহফুয রেখেছেন। প্রায়ই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মুনতাদা বা মাজালিসে শরিক হওয়ার সুযোগ হলে, আমাদের নিকট অতীতের এসব বুযুর্গদের জন্য হৃদয় নিংড়িয়ে দুআ বের হতেই থাকে। একদিনের ডায়েরিতে লিখি-
“তিনশত কিলোমিটার দূরের ফারগানা থেকে এক আল্লাহর বান্দা কিছু ফলমূল পাঠিয়েছেন, যেন আমরা খাই আর দুআ করি। এখানে হালত খুব মিশ্রিত। বাইরে অনেক এলাকায় ইসলামের নাম-নিশানাই দেখা যায় না। ভেতরে ভেতরে কিছু বিষয় অনেক ভিন্ন। মানুষের অন্তরে উলামা ও সুলাহাদের প্রতি অন্য ধরনের অনুরাগ। আর পুরো সফরে আমার অনুভূতির খোলাসা হলো, যেটা তিন সফরেরই অনুভূতি: এখানে শুধু দেওবন্দেরই অভাব ছিল; আর কোনো কিছুর না। কথার কথা যদি আমি সালাফী বা অন্য ধারার হতাম তাও এটাই বলতাম। উপমহাদেশের ভিন্ন মাসলাকের কোনো কোনো সফরসঙ্গীও এই কথা বলেছেন। আমাদের আকাবিরদের জন্য দিল থেকে পুরো সফরে অনেক দুআ আসল।”
ঙ) উজবেক সফরের শেষ দিকে বিভিন্ন ইলমী ও দ্বীনী মারাকিযের যিয়ারতের ইহতিমাম করি। সমরকন্দে মুহতারাম মাওলানা মাহফুয আহমাদ সিলেটী হাফিযাহুল্লাহ ‘আলমা’হাদুল আলী লি-উলূমিল হাদীসে’ নিয়ে যান। সেখানে সংক্ষিপ্ত তবে গুরুত্বপূর্ণ একটি ইলমী মজলিস হয়। তারপর ড. মাহমুদ মাসরীর সাথে আরেকবার ‘মারকাযুল ইমামিল বুখারী’র খুসুসী যিয়ারতের সুযোগ হয়। সর্বশেষ তাশকন্দে ‘মারকাযুল হাদ্বারাহ’, ‘মারকাযুল ইমামিল মাতুরীদী’ ও ইমাম বুখারী একাডেমিরও যিয়ারতের সুযোগ হয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলো সবই নতুন। এদের পরিচিতি সম্বলিত একটি ফাইল আমাদেরকে দেয়া হয়, কমেন্টে লিঙ্ক শেয়ার করে দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ। তবে এখানকার পুরনো মাখতুতাতের ঐতিহ্যবাহী যে মারকায আমার সবচেয়ে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু, সেটি হলো তাশকন্দের ‘আলবেরূনী সেন্টার’। এই সফরে এটি বন্ধ থাকায় যিয়ারত করার সুযোগ হয়নি। তবে এখানকার দায়িত্বশীলদের সাথে একটি দস্তরখানে একত্র হওয়ার সুযোগ হয়। আল্লাহর ফযলে আমরা কিছু পরিকল্পনা ও আশাবাদ ব্যক্ত করি। আল্লাহপাক তাওফীকের মালিক।
চ) তাশকন্দ থেকে দুবাই ফিরি। এখানে সপ্তাহখানেকের জন্য ‘মারকায জুমআতুল মাজিদে’ অবস্থান শুরু করি। এখানকার মাখতুতাতের যাখীরা ও আমাদের কাজের বিষয়ে ‘বাসাইর’ ও অন্য সফরনামাগুলোতে কিছু লিখেছি। ‘বাসাইর’ যারা পড়েছেন তাদের শাইখ আবদুল হাকীম আনীস সাহেবের বিষয়ে জানা আছে। এবারও শাইখ প্রায় প্রত্যেকদিন সন্ধ্যায় খুসুসী মজলিসের ব্যবস্থা করেছেন, جزاه الله خير الجزاء في الدارين। পুরো সফরের এই অংশটি আমার মত তালিবে ইলমের জন্য সবচেয়ে মুফীদ ছিল, ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও বিভিন্ন কাজের ধারাবাহিকতায় শারজায় ‘মাজমাউল কুরআনিল কারীম’ যিয়ারতের সুযোগ হয়। এই মাজমায় সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি মুতহাফ আছে। ঘন্টাখানেক ঘুরে দেখার পর আমরা মূল কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। ‘মাজমাউল কুরআন’ থেকে প্রসিদ্ধ তাসাউফের ইমাম শাইখ শিহাবুদ্দীন উমর সোহরাওয়ার্দী রহ. (৬৩২)-এর একটি তাফসীরের কিতাব نُغبة البيان في تفسير القرآن পাঁচ খন্ডে প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। আরও প্রকাশিত হবে المدخل إلى كتب التفسير تعريفًا وإسنادًا وتقويمًا নামক এই বইটি (ছবি)। উভয়টির প্রুফ কপি মুরাজাআর জন্য আমাকে দেয়া হয়। ছবিতে যা দেখছেন তা প্রুফ নুসখা। মূল নুসখার মত করেই এগুলো প্রিন্ট করা হয়েছে। আরো প্রায় দশ-বারোটি ইলমী কাজ নিয়ে আলোচনার সুযোগ হয়। ইমাম যাহাবী রহ.-সহ প্রায় সাতজনের দিকে ভুলভাবে মানসুব একটি প্রসিদ্ধ কিতাব الطِّبُّ النبويّ বিষয়ে শাইখ আবদুল হাকীম সাহেবের একটি নিবন্ধও পর্যালোচনার জন্য দেয়া হয়। এই কিতাবের বাস্তব মুসান্নিফ কে, তা প্রথম উদঘাটনের তাওফীক হয়েছে শাইখ হাফিযাহুল্লাহর। ইদানিং শাইখের তাহকীক অনুযায়ী এটির সঠিক মুসান্নিফের দিকে সম্বন্ধকৃত মানসম্মত সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে, যার একটি নুসখা আমাকে দেয়া হয় (ছবি)। তবে আরেকটি বিষয় হলো, আদৌ যাহাবীর কি এই নামে কোনো কিতাব আছে? এর কোনো হদিস আমাদের জানামতে কোথাও ছিল না। আল্লাহপাকের ফযলে শাইখ প্রথম একটি মাখতুতার সন্ধান পেয়েছেন, যা বাস্তবেই যাহাবীর الطِّبُّ النبويّ। আল্লাহপাক এটি যথাযথভাবে দ্রুত প্রকাশ করার ব্যবস্থা করে দিন।
সংযুক্তি-১
পাটনার খোদাবখশ লাইব্রেরীতে সহীহ বুখারীর একটি নুসখা আছে, যেটি শাহ ওয়ালিউল্লাহ রহ.-এর দরসে পড়া হয়েছে এবং শাহ সাহেবের তত্ত্বাবধানে তাসহীহ করা হয়েছে। জানা কথা যে, এটি সহীহ বুখারীর নুসখা; শাহ সাহেবের কোনো রচনা নয়। নুসখাটির হাওয়াশীতে শাহ সাহেবের কিছু দরসী ফাওয়াইদেরও উল্লেখ আছে। প্রায় বছরদেড়েক আগে একটি ইলমী প্রয়োজনে আমাদের নুসখাটি সংগ্রহ ও পাঠ করার সুযোগ হয়। তখন মুআসসাসার ওয়েবসাইটে এ বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনাও প্রকাশ করা হয়। ‘ইত্তিফাকান’ সেসময় আইসেস্কোর পক্ষ থেকে উপরোল্লিখিত সহীহ বুখারী কনফারেন্সের জন্য প্রবন্ধ তলব করা হচ্ছিল। তখন আমি উক্ত নুসখা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটি পরিচিতিমূলক ও পর্যালোচনাধর্মী প্রবন্ধ পাঠাই। পরে কনফারেন্সের তারিখ পেছাতে থাকে। আলহামদুলিল্লাহ, কনফারেন্সটি অবশেষে হলো।
ইলমী প্রয়োজনের ধারাবাহিকতায় ওয়েবসাইটে শাহ সাহেব রহ.-এর তুরাসের সাথে সম্পৃক্ত আরেকটি পর্যালোচনামূলক লেখা প্রকাশ করা হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ, উভয় পর্যালোচনার ভালো ফলাফল পরে আমরা দেখতে পেয়েছি। আল্লাহপাক সংশ্লিষ্ট সকলকে জাযায়ে খাইর দান করুন।
ইদানিং আরেকটি ‘ইত্তিফাক’ হলো, এই সময়ে যখন আল্লাহপাক আমাদেরকে সমরকন্দে শাহ সাহেব রহ.-এর প্রথমোক্ত নুসখার পর্যালোচনা পেশ করার তাওফীক দিয়েছেন, ঠিক তখন বাংলাদেশেও শাহ সাহেবের ফিকির ও তুরাসের ওপর কিছু আয়োজন হলো। ইত্তিফাকান আমার হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক সাহেব হুজুরের সংক্ষিপ্ত তবে সারগর্ভ বক্তব্যটি শোনার সুযোগ হয়। সুবহানাল্লাহ, হযরতের বক্তব্যের বিষয় ছিল উপরোল্লিখিত দ্বিতীয় পর্যালোচনার সেই বিষয়টিই। والحمدُ لله أولًا وآخرًا، لا نُحصي ثناءً عليه.
সংযুক্তি-২
১৪৪৮ হিজরীর শুরু থেকেই মুআসসাসার ওয়েবসাইটে সাপ্তাহিক ও মাসিক দুটি ‘নাশরাহ’ চালু করার পরিকল্পনা ছিল। বিষয়গুলো সফর ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতার ফলে পেছাতে থাকে। আশা করছি শীঘ্রই এসব বিষয়ের এলান দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহপাক কবুলিয়াতের মালিক, তাওফীকের মালিক।
وصلّى الله تعالى على خير خلقه محمد وآله وصحبه أجمعين.
– মুফতি তাকী বিন আবদুর রহীম
পরিচালক, মুআসসাসা মাআরিফ, চট্টগ্রাম


